Wednesday, November 22, 2017

বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের চাকরী

আমাদের সমাজে যারা সুশিক্ষিত বা স্বল্প শিক্ষিত, তার অধিকাংশই আমরা লেখাপড়া শেষে কর্ম জীবনে প্রবেশ করি,  সবারই আশা থাকে সরকারী চাকুরীতে যোগদান করা যাতে ভবিষ্যত সুরক্ষিত হতে পারে। কেউ চাকুরী পেয়ে ও যায় আর যারা পায়না তারা চেষ্টা করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করতে, তবে বেসরকারী প্রতিষ্ঠারে চাকুরী করার সংখ্যাই বেশী, আমিও সেই রকম একজন, সরকারী চাকরী কপালে জুটেনাই বিধায় বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরী করতে হচ্ছে। আমার ছোট্ট চাকরী জীবনে হয়েছে নানা ক্ষুদ্র এবং অবাঞ্চিত কিছু অভিজ্ঞতা, যা আপনাদের কাছে আজ শেয়ার করলাম। 

প্রথমত আপনি যখন কোন প্রতিষ্ঠানে ফ্রেসার হিসাবে জয়েন করবেন তখন আপনার তার্গেট থাকে অফিসের আপনার কাজকর্ম ভালভাবে আয়ত্ব করা সে জন্য হয়তবা আপনি আপনার সর্বোচ্চটুকু দেওয়ার চেষ্টা করেন যাতে করে উপরের কর্মকর্তারা আপনার কাজে সন্তুষ্ট হয়, দ্বিতীয়তঃ যখন আপনি আপনার কাজ ও দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন শুরু করলেন এবং সময়ের আগেই আপনি আপনার দায়িত্ব শেষ করছেন দেখবেন অন্য ব্যাক্তিরাও তাদের কাজের কিছু অংশ আপনাকে দিয়ে করিয়ে নিচ্ছে, যেটা আমার বেলায় ও  হয়েছিল। তারপরও আপনি যখন আপনার দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করছেন দেখবেন আস্তে আস্তে আপনি অফিসের সবার আস্থাভাজন হয়ে উঠবেন। বিপদটা ঠিক তখনই যখনি আপনি অফিসের আস্থাভাজন হয়ে উঠবেন অফিসে দেখবেন আপনার অনেক বিরুধী এবং আপনাকে ক্ষতি করার লোক তৈরী হয়ে উঠবে। আপনাকে ক্ষতি করবে তারাই যারা কাজে ফাকি দেয় এবং যারা নিজের স্বার্থ ছাড়া কিছুই বোঝেনা। 

সেক্ষেত্রে আমার অভিমত হল আপনি অফিসে যখন সবার সাথে মানিয়ে উঠবেন এবং আপনার কাজের একটা ধারণা পেয়ে যাবেন, আপনি আপনার কাজ ছাড়া অন্য কারো কাজ করবেন না। তবে আপনার কাজ খুব নিষ্ঠার সহিত পালন করবেন। আর তেল যদি মারতেই হয় আপনার কাজকে তেল দিবেন দেখবেন আপনার আর অফিসে কাউকে তেল দিতে হবেনা। কারণ বেসরকারী প্রতিষ্ঠান কখনও তার প্রতিষ্ঠানের লোকসান চায়না, আর আপনি প্রতিষ্ঠানের লোকসান করছেন না, সুতরাং আপনার আর কাউকে তেলমর্দন করতে হবেনা।   লক্ষকরবেন তারাই উপরের কর্মকর্তাদের তেলদিচ্ছে যারা ঐ  কাজের জ্ন্য নিজেকে তার সামথ্যের সবটুকু দিতে পারছেনা বা দেয়না, তাদেরেই চাকরি হারাবার ভয় থাকে। 



তবে এইটা আমার একান্ত ব্যাক্তিগত অভিমত।

ধন্যবাদ সবাইকে। 

No comments:

Post a Comment