Friday, February 8, 2019

About Guru Randhwa


¸iæ ivÜvev fvi‡Zi Uc †gv÷ wm½v‡ii g‡a¨ GKRb hvi Mv‡bi wfDwkc 3 wewjqb AwZµg K‡i‡Q, Zv‡K fvi‡Zi A‡b‡KB mycvi÷vi wnmv‡eB Rv‡b Z‡e A‡bK nqZev Rv‡b bv †h wK fv‡e ¸iæ Zvi GB j‡ÿ¨ †cЇQ‡P| Avwg AvR Avcbv‡`i ¸iæi †mB RvwY© mg‡Ü eij,
Aviwj jvBd:  ¸iæ Gi Avmj bvg miY †Rvr wms ivÜvev, Zvi Rb¥¯’vb cvÄv‡ei Myi`vm cyi †Rjvq, †QvUKv‡j Zvi GjvKvq †Kej wUwf myweav wQjbv,  ZvB wZwb `yi`k©b I †iwWI‡Z m¤úªPvwiZ Mvb ï‡bB wmswMs Gi cÖwZ AvK…ó nq| ¸iæ Zvi GK B›UvwfD‡Z e‡j‡Q †h Zvi MÖvg cvwK¯’vb eW©v‡ii Lye Kv‡Q nIqvq Zvi GjvKv‡Z wc-wUwf P¨v‡bj I cvwK¯’vwb †iwWI m¤úªPvi K¨vP Kiv †hZ, hvi Kvi‡b cvÄvwe Mv‡bi cÖwZ Zvi GKUv Avjv`v fvjevmv ˆZix nq, ¸iæi cQ‡›`i cvÄvex wm½vi‡`i g‡a¨ D‡jøL‡hvM¨ nj eveŸygvb, ¸i`vmgvb, byimvZ d‡Z Avwj Lvb, I w`jwRZImvb| ¯‹zj jvBd †kl Kivi ci ¸iæ w`jøx wkdU n‡q hvq Ges †mLv‡b Zvi Mv‡bi K›UªvK ˆZix Kiv ïiæ K‡i †`q Ges mv‡_ Zvi Gg.we.G wWwMÖ I jvf K‡i, Zvi jÿ wQj wm½vi nIqv ZviciI †m Zvi G‡Wv‡Kkb Kw¤úøU K‡i| ¸iæ Zvi GK B›UvwfD‡Z e‡j‡Q †h AwaKvsk cvÄvex MvqK G‡Wv‡Kkb Kw¤úøU bv K‡iB BÛvw÷ª‡Z Av‡m hvi Kvi‡b Zv‡`i cÖ‡dkbvi K›Uªv± eyS‡Z Amyweav nq| GB Rb¨ ¸iæ Zvi G‡Wv‡Kkb Kw¤úøU K‡i Kvib †m e‡j Zvi wdDPvi †hgbB nDKbv †Kb †m Zvi G‡Wv‡Kkb ‡kl Ki‡Z Pvq|
÷ªvMj †÷vwit GKmgq ¸iæ Zvi †jLv Mvb wb‡q mg¯Í †iKwW©s †j‡f‡ji Kv‡Q aY©v w`Z wKš‘ Zvi Mvb-¸wj‡K †Kvb †Kvb ARynv‡Z evwZj K‡i w`Z| †KD †KD Zvi Kv‡QB D‡ëv UvKv `vwe KiZ, Avi †KD ev Mvb ¸wj cy‡iv‡bv w`‡bi e‡j Zv‡Z bZzbZ¡ †hvM Kivi K_v ejZ| ¸iæ Zvi mg¯Í e¨_©Zvi c‡iI Zvi Mv‡bi ÷vBj Qv‡o wb| Zvici ¸iæ  ewnwgqvi mv‡_ cwiPq nq hvi †÷R †mv‡Z ¸iæ‡K cÖ_g 15 wgwbU Mv‡bi my‡hvM K‡i w`Z| ewnwgqvB ¸iæ‡K ejZ †m †hb Zvi ÷vwW Kw›UwbD K‡i Ges mv‡_ BÛvw÷ªR Gi wbqg Kvbyb¸wj AvqZ¡ K‡i, ewnwgqv ¸iæ‡K A‡bK †ní KiZ|

mvK‡mmt  ¸iæ hLb ewnwgqvi mv‡_ †kv‡Z I‡cb ïiæ Kij ZLb m‡Z›`i miZvR I ˆKjvk‡Li Gi †kv-‡Z I †`Lv †h‡Z jvMj| 2012 †Z ¸iæi cwiPq AR©y‡bi mv‡_ nq †h Zvi Mvb ÒSame Girl” Gi wdPvi K‡i| Gi ci ¸iæ Zvi cÖZg m‡jv wgDwRK ÒChat GayeÓ wiwjR K‡i hvi †cÖvWvKk‡bi LiP ¸iæ Zvi fvB‡qi KvQ †_‡K wb‡qwQj| hw`I GB Mv‡bi gva¨‡gI mvK‡mm Av‡mwb Zvic‡iI ¸iæ Zvi cÖ‡Póv Kw›UwbD K‡i Ges BwÛ‡c‡ÛW wfwWI‡` †`Lv †hZ| ¸iæ eiZ Zvi Avmj mvK‡mm 2015 mv‡j Zvi MvIqv Mvb ÒPetola” †_‡K Av‡m †hLv‡b Zv‡K ewnwgqvi mv‡_ †`Lv hvq| hw`I †m Zvi GB MvbwU ewnwgqvi mv‡_ cø¨vb K‡iwb wKš‘ ¸iæ †hûZ Zvi me Mvb ewnwgqv‡K ïbvZ Ges MvBW †cZ ZvB ewnwgqv ¸iæi mv‡_ GB MvbwU ïbvi ci MvbwU ¸iæi mv‡_B Kivi Rb¨ cÖ¯Íve †`q|  GB MvbwU GZ RbwcÖqZv cvq †h Zvi ci ¸iæ‡K T-seris Zv‡`i mv‡_ Pyw³e× K‡i †d‡j Ges  ZLb A‡bK K›Uªv±m Gi Advi Avm‡Z ïiæ K‡i| 2016 †Z ÒSut Sut & Tu meri RaniÓ Gi mvK‡mm †`‡L ¸iæi cÖ_g Mvb ewjD‡Wi Qwe “Tumhari Sullu & Hindi Medium Ó G MvIqvi my‡hvM nq hvi Kvi‡b Zvi c‡cvjvwiwU Av‡iv †e‡o hvq| Zvici Zvi Rxe‡b Av‡m ‡mB hyMvšÍKvix Mvb “Lahore” hv BDwUDe wej‡evW© G Uc 25 G RvqMv K‡i †bq, ¸iæ fvi‡Zi cÖ_g MvqK hvi Mvb wej‡evW© Gi Uc 25 Gi †Kvb Mvb RvqMv K‡i †bq| hv Zvi Rxeb Z_v fviZxq‡`i Rb¨ GK Abb¨ m¤§vb wb‡q Av‡m hv Zv‡K g¨v‡Wbv I gvB‡Kj RvKm‡bi gZ wm½v‡ii KvZv‡i wb‡q Av‡m| wej‡ev‡W© RvqMv K‡i †bIqvi ci ¸iæ Av‡iKwU †iKW© wb‡Ri bv‡g K‡i †hLv‡b †m cÖ_g fviZxq MvqK wnmv‡e hvi wfwWI 3 wewjqb µm K‡i‡Q| ¸iæ Zvi GK B›UviwfD‡Z e‡j‡Q †h GKmgq Avwg 4-5Rb gvbyl‡K Mvb ïbvZvg Avi AvR Avgvi Mvb‡K 3 wewjqb Gi †ekx gvbyl ï‡b‡Q|

Rxebhvcbt GZ mdjZvi ciI ¸iæ Zvi Rxeb hvcb AwZ mvavi‡bi gZB cvi K‡ib| ¸iæ Zvi mgq Zvi MÖv‡gB cvi Ki‡Z cQ›` K‡ib| ¸iæi K_v n‡jv †m Zvi iæjm KL‡bv fzj‡eb bv Zvi K_v nj ¸iæi wcZv gvZv AvRI kn‡ii cwie‡Z© MÖv‡g _vK‡Z cQ›` K‡ib, AvwgI †mBiKg| ¸iæ KLbI A‡b¨i ÿwZ‡Z wek¦vwm bq Kvib Zvi K_v n‡”Q Zzwg hw` A‡b¨i ÿwZ Ki GKw`b Zzgv‡KI Ab¨ †KD ÿwZ Ki‡e| ¸iæ Zvi cy‡iv‡bv eÜz‡`i KL‡bv fz‡jwb †hgb ¸iæi Lvivc mg‡q †hgb †KD Zv‡K mnvqZv K‡iwb ZLb AR~©b Miæ‡K mvnv‡h¨i Rb¨ GwM‡q Av‡m ZvB ¸iæI ARy©b‡K fz‡jwb| Avmv hvK UvKv cqmvi †ejvq, ¸iæi K_v nj UvKv cqmv AvR Av‡Q Kvj †bB ZvB †m mvavib Rxeb hvcb Ki‡Z cQ›` K‡ib, Zvi Mv‡b †h mg¯Í `vwg `vwg Mvox I †jv‡Kkb ‡`Lv hvq ev¯Í‡e ¸iæ †m¸wj †_‡K `~‡i _v‡Kb| AwfRvZ Rxeb hvcb wewfbœ cvwU© †_‡KI ¸iæ wb‡R‡K `~‡i iv‡L, ¸iæi K_v n‡”Q ivM †R‡M cvwU© Kivi †P‡q †mB mgqUv‡K Kv‡R jvMvq Nygv‡bvi Rb¨ I bZzb bZzb wPšÍv Kivi Rb¨| Avwg hw` GB mg¯Í †fvM wejv‡k wb‡R‡K wjß Kwi nqZ fMevb AvR Avgv‡K hv w`‡q‡Q Zv †K‡o I wb‡Z cv‡i|

Monday, December 17, 2018

Uncle (A story of Sacrifice)

একটি ছেলের গল্প যে কিনা তার বড় ভাইয়ের মেয়ের জন্য নিজের সবকিছু বিসর্জন দিয়ে দেয় তার  ভবিষ্যতের জন্য... আসা যাক মূল গল্পে


একটি ছেলে ছিল অনেকটা বখাটে টাইপের আর বখাটে হওয়ার কারণ হল কোন পিছুটান না থাকার কারনে, সংসারে আপন বলতে বড় ভাই তার ভাবী ও এক ভাইজি, ভাইজি হলেও তার সমবয়সী আর বড় ভাই ও তার ভাবী তাকে দেবর নয় নিজের ছেলের মতই আদর করত। বখাটে সভাবের কারনে এলাকায় রাউডি হিসাবে একটা পরিচিতি ছিল। এলাকা তথা শহরের যত গুন্ডা পান্ডা ছিল সবার কাছে সে ছিল আইডল, কারণ একটাই গুন্ডাগিরি করলেও তার একটা আদর্শ ছিল , গুন্ডামি করে যা ইনকাম করত সব তার অনুসারীদের মাঝে বিলিয়ে দিত আর যে কারো বিপদে সবার আগে এগিয়ে আসত যে কোন বিপদই হউক না কেন, তার এই স্বভাবের কারনে অজ্ঞাত বশত শহরের এক টপ টেরর কে তার প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলেছে অজান্তে, একদিন তার প্রতিপক্ষ তাকে হত্যা করার  উদ্যেশ্যে একটি দুর্ঘটনার ছক করে কিন্তু দুর্ভাগ্য বশত ঐ ছকে পা দেয় তার বড় ভাই ও ভাবী, হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার তার ভাবীকে মৃত ঘোষনা করে এবং ভাইয়ের অবস্থা থাকে সংকটাপন্ন, কাকতালীয় ভাবে ঐ দুর্ঘটনার কারনে ঐ হত্যাকারীর ছেলের হার্ট এ আঘাত ঘটে এবং তাহারও অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে উঠে, নায়ক যখন ঘটনা জানতে পারে ছুটে হাসপাতালে আসে কিন্তু তার বড়ভাইয়ের দোহাইয়ের কারণে কিছু করে না এবং তার বড়ভাইয়ের হার্ট গুন্ডার ছেলেকে দিতে বলে, এই ঘটনর জন্য নায়ক নিজেকে দায়ী করে তার ভাইয়ের মেয়েকে নিয়ে অণ্য শহরে চলে যায়, । কিছু সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর একদিন তার ভাইজতি কলেজে যাওয়ার সময় ঐ গুন্ডার ছেলের চোখে পড়ে , ..................... (কিছু গল্প বাদ দেওয়া হয়েছে)
.
.
.
.
. গুন্ডার বাবা যখন তাকে দেখে এবং তার ছেলেকে বলে আজ তুই জীবিত আছিস কেবল তার বড় ভাইয়ের দয়ায়, তখন গুন্ডা তার ছেলেকে বলে তুই ত পৃথিবীতে কেবল দুই জনকে ভালবাসিস এক তুই আর এক তুর বাবা তাহলে তুর বাবা হয়ে আমি বলছি নায়ক এর জন্য আমি তুকে ছাড়তে পারব, এতে হয়ত আমার ঋণ কিছুটা শোধ হবে, নায়ক তার ভাইতিজি কে নিয়ে বাড়ী চলে আসে, বিয়ের আসরে এবার ছেলে বিয়ে করতে বেকে বসে এই  বলে যে মেয়েকে গুন্ডা তুলে নিয়ে গেছে সে সতীত্ব অক্ষুন্ন থাকে কিভাবে সে এই বিয়ে করতে পারবে না বলে চলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়, মুহুর্তে বিয়ে বাড়িতে একটা নিস্তব্দতা চলে আসে ঠিক তখইন গুন্ডা  ও তার ছেলে আসে এবং বরকে অনুরোধ করে যে নায়কের ভাইতিজি সীতার মত পবিত্র তাকে অনুরোধ করে বিয়ের জন্য কিন্তু বর বিয়ে করতে অস্বিকার করে, এক পর্যায়ে গুন্ডা নায়কের কাছে অনুরোধ করে তার ভাইতিজি কে তার ছেলের সাথে বিয়ে  দেওয়ার এবং বলে আমি জানি আমার ছেলে একটা লম্পট কিন্তু বিশ্বাস করুন আমার ছেলে তার প্রাশচিত্ত করার সুযোগটি হাতছাড়া করতে চায়না, এবং তার  ছেলে ভাল হয়ে গেছে, শেষে নায়ক তার ভাইতিজিকে গুন্ডার ছেলের সাথে বিয়ে দেয়,.................. কিছুদিন পর তাদের একটি ছেলে হয় ....
..
.
. সমাপ্তি   (আপনাদের ভাল লাগলে প্লিজ কমেন্ট করবেন)

Sunday, November 26, 2017

Wants to go Switzerland with family ( যেতে চান সুইজারল্যান্ড)

বাংলাদেশীদের প্রায় 60 লাখ টাকা দিবে সুইজারল্যান্ড যদি পরিবার সহ যেতে চায়ঃ

হ্যাঃ অবিশাস্য হলেও সত্য, সুইজাল্যান্ডের আলবিনেন নামক একটি গ্রামে থাকার জন্য বাংলাদেশ সহ বিশ্বের কাছে এমনই এক আবদার জানিয়েছে আলবিনেন গ্রামের বাসিন্দারা, তবে তাদের কিছু শর্তও আছে। 


থাকতে হবে কমপক্ষে 10 বছর ঐ গ্রামে তাহলেই তারা ঐ অর্থ দিবে, ভাবছেন তরা এ বিপুল পরিমান অর্থ কেন দিবে আপনাকে? তাহলে শুনুন, এই গ্রামের বাসিন্দারা কর্মসংস্থানের অভাবে এই গ্রাম ছেড়ে অন্যত্র পাড়ি জমিয়েছেন আর যারা আছেন বর্তমানে তারা সংখ্যায় খুবই কম যার দরুন তাদের গ্রামের স্কুল, দোকনপাট ও অন্যান্ন প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেছে, শুনা যাচ্ছেনা কচি কাচার শব্দ,  নেই আগেরমত সেই মানুষের কোলাহল তাই তারা ঠিক করেছে তাদের গ্রামে বাংলাদেশ বা বিশ্বের অণ্য দেশ থেকে কেউ এসে কমপক্ষে 10 বছর থাকলে পরিবার পিছু বাংলাদেশী টাকায় প্রায় 60 লাখ টাকা দিবে, যাতে করে তাদের গ্রামের সেই মানুষের কোলাহল এবং বন্ধ হওয়া স্কুল, দোকনপাট ইত্যাদি আবার চালু হয় মানুষের কোলাহলে ভরেযায় ওদের গ্রাম। 



তারা জানিয়েছেন যে কেউ তাদের গ্রামে এসে থাকতে পারবেন তবে পুরুষ এবং মহিলার বয়স সর্বোচ্চ হতে হবে 45 বছর এবং সাথে থাকতে হবে 2জন সন্তান, আর যদি আপনি 10 বছর পার হওয়ার পূর্বেই এই গ্রাম ছেড়ে চলে যান তাহলে আপনাকে সম্পূর্ণ টাকা ফেরত দিতে হবে। 

অবিশাস্য হলেও এমনটাই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আলবিনেন নামক গ্রামের বাসিন্দারা

তাহলে আর চিন্তা কি? যদি সুইজারল্যান্ড যেতে চান চলে যান ঐ গ্রামে

মুরগীর মাংসের ভর্তা (Chicken)

মুরগীর মাংস ভর্তা



অনেকে অনেক ভাবেই মুরগীর মাংস ভর্তা করার কথা বলে তবে আমি একটি রেসিপির কথা জানাব

উপকরন: মুরগীর মাংস 1 কেজি,  আদা কুচি 3-4 টেবিল চামচ, পেয়াজ কুচি 200-250 গ্রাম পেয়াজের, কাচা মরিচ (ঝালের উপর ভিত্তি করে) পরিমান মত, লবন পরিমান মত, ধনিয়া পাতা কুচি পরিমান মত,

প্রণালিঃ প্রথবে মুরগীর মাংস টুকরো করে পানিতে সিদ্ধ করতে হবে, এমন ভাবে সিদ্ধ করবেন যেন পানির পরিমান সেদ্ধ করার পর শুকিয়ে যায়, বেশী হলে মুরগীর মাংস অতিরিক্ত নরম হয়ে যেতে পারে এবং পানিতে মাংসের ভিটামিন, প্রোটিন নষ্ট হয়ে যাবে। তার পর মাংসের টুকরো থেকে মাংসগুলিকে ছোট ছোট ভাবে কুচি কুচি ছিড়ে নিতে হবে এবং মাংসের হাড় গুলি আলাদা করে ফেলতে হবে। তারপর মাংসের কুচিগুলির সাথে আদা, মরিচ, পেয়াজ কুচি, লবন, ধনিয়া পাতা, ও সরিশার তেল দিয়ে নরমাল ভর্তার মত করে ভাল ভাবে মেখে নিলেই হয়ে গেল মজাদার মুরগীর মাংসের ভর্তা,


চটপট দেরি নাকরে গরম গরম ভাতের সাথে বা রুটির সাথে খেয়ে দেখুন কেমন লাগে। 


ধণ্যবাদ

Wednesday, November 22, 2017

বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের চাকরী

আমাদের সমাজে যারা সুশিক্ষিত বা স্বল্প শিক্ষিত, তার অধিকাংশই আমরা লেখাপড়া শেষে কর্ম জীবনে প্রবেশ করি,  সবারই আশা থাকে সরকারী চাকুরীতে যোগদান করা যাতে ভবিষ্যত সুরক্ষিত হতে পারে। কেউ চাকুরী পেয়ে ও যায় আর যারা পায়না তারা চেষ্টা করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করতে, তবে বেসরকারী প্রতিষ্ঠারে চাকুরী করার সংখ্যাই বেশী, আমিও সেই রকম একজন, সরকারী চাকরী কপালে জুটেনাই বিধায় বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকরী করতে হচ্ছে। আমার ছোট্ট চাকরী জীবনে হয়েছে নানা ক্ষুদ্র এবং অবাঞ্চিত কিছু অভিজ্ঞতা, যা আপনাদের কাছে আজ শেয়ার করলাম। 

প্রথমত আপনি যখন কোন প্রতিষ্ঠানে ফ্রেসার হিসাবে জয়েন করবেন তখন আপনার তার্গেট থাকে অফিসের আপনার কাজকর্ম ভালভাবে আয়ত্ব করা সে জন্য হয়তবা আপনি আপনার সর্বোচ্চটুকু দেওয়ার চেষ্টা করেন যাতে করে উপরের কর্মকর্তারা আপনার কাজে সন্তুষ্ট হয়, দ্বিতীয়তঃ যখন আপনি আপনার কাজ ও দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন শুরু করলেন এবং সময়ের আগেই আপনি আপনার দায়িত্ব শেষ করছেন দেখবেন অন্য ব্যাক্তিরাও তাদের কাজের কিছু অংশ আপনাকে দিয়ে করিয়ে নিচ্ছে, যেটা আমার বেলায় ও  হয়েছিল। তারপরও আপনি যখন আপনার দায়িত্ব সঠিক ভাবে পালন করছেন দেখবেন আস্তে আস্তে আপনি অফিসের সবার আস্থাভাজন হয়ে উঠবেন। বিপদটা ঠিক তখনই যখনি আপনি অফিসের আস্থাভাজন হয়ে উঠবেন অফিসে দেখবেন আপনার অনেক বিরুধী এবং আপনাকে ক্ষতি করার লোক তৈরী হয়ে উঠবে। আপনাকে ক্ষতি করবে তারাই যারা কাজে ফাকি দেয় এবং যারা নিজের স্বার্থ ছাড়া কিছুই বোঝেনা। 

সেক্ষেত্রে আমার অভিমত হল আপনি অফিসে যখন সবার সাথে মানিয়ে উঠবেন এবং আপনার কাজের একটা ধারণা পেয়ে যাবেন, আপনি আপনার কাজ ছাড়া অন্য কারো কাজ করবেন না। তবে আপনার কাজ খুব নিষ্ঠার সহিত পালন করবেন। আর তেল যদি মারতেই হয় আপনার কাজকে তেল দিবেন দেখবেন আপনার আর অফিসে কাউকে তেল দিতে হবেনা। কারণ বেসরকারী প্রতিষ্ঠান কখনও তার প্রতিষ্ঠানের লোকসান চায়না, আর আপনি প্রতিষ্ঠানের লোকসান করছেন না, সুতরাং আপনার আর কাউকে তেলমর্দন করতে হবেনা।   লক্ষকরবেন তারাই উপরের কর্মকর্তাদের তেলদিচ্ছে যারা ঐ  কাজের জ্ন্য নিজেকে তার সামথ্যের সবটুকু দিতে পারছেনা বা দেয়না, তাদেরেই চাকরি হারাবার ভয় থাকে। 



তবে এইটা আমার একান্ত ব্যাক্তিগত অভিমত।

ধন্যবাদ সবাইকে। 

Tuesday, November 21, 2017

ফালতু জ্ঞান টাকা পয়সা নিয়ে


1। আমার এক বস বলত শেয়ার এ কখনও কোন কিছু করবেনা, আর যদি কর তাহলে তুমার পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ছাড়ের মন মানসিকতা রেখে করতে হবে। 

2। কখনও নিকট আত্মিয় বা পরিচিত কাউকে টাকা ধার দিবে না, কারন এতে তুমার সাথে ঐ ব্যাক্তির সম্পর্ক খারাপ হতে পারে, কারন দেখা গেল আপনাকে যে সময়ে টাকা দেওয়ার কথা ছিল হয়ত কোন কারনে বা অনেকে আছে হাত পিছলা, ঐ সময়ে দিতে পারলনা তখন হয়তবা আপনার সাথে তার মনোমানিল্য হতে পারে। তাই যখনই ধার উধার দিবেন মনে মনে ধরে নিবেন আপনি সেই টাকা আর ফেরত পাবেন না, তাহলেই দেখবেন আর কোন সমস্যা হচ্ছেনা, তবে সবচেয়ে ভাল বুদ্ধি হল (প্রথমে তিক্ত পরে মিষ্ট), বলে দিবে আমার কাছে টাকা নেই।

3। আপনার বন্ধু-বান্ধব বা নিকটজন এর স্বভাব বা তার সমন্ধে জানতে হলে তার সাথে টাকার লেনদেন করুন, আমি 100% গ্যারান্টি আপনি তার সমন্ধে  যা জানতে পারবেন বিগত বছরেও তা জানতে পারেন নি। 



কেউ যদি আমার  কথাগুলি পছন্দ করেন তাহলে প্লিজ জানাবেন আর যদি না করেন তাহলে ও প্লিজ জানাবেন কেন করেন নি বা আপনাদের মতামত ও আমার কাছে অনেক কিছু বলে আমি মনে করি।

ধণ্যবাদ